Home/
Emon Rahman/Followers Answers
- About
- Questions
- Polls
- Answers
- Best Answers
- Asked Questions
- Followed
- Favorites
- Groups
- Posts
- Comments
- Followers Questions
- Followers Answers
- Followers Posts
- Followers Comments
- Questions
- Polls
- Answers
- Best Answers
- Asked Questions
- Followed
- Favorites
- Groups
- Posts
- Comments
- Followers Questions
- Followers Answers
- Followers Posts
- Followers Comments
How to Create Own Personal Cloud Storage?
Cloud Storage Server creation is very easy. I will show you How to create a Cloud storage server free and easy way. Cloud Storage Server creation is very easy. Fast you need to Install Linux operating system Ubuntu 20.04 LTS server. Then You will need to log in to your Ubuntu server as the root userRead more
Cloud Storage Server creation is very easy.
I will show you How to
create a Cloud storage server free and easy way.
Cloud Storage Server
creation is very easy.
Fast you need to Install Linux operating
system Ubuntu 20.04 LTS server.
Then You will need to
log in to your Ubuntu server as the root user and Update your System and
Run the following script to start the installation.
There I am using the
Azure portal for the virtual operating system.
You can use physical
machines if you want.
I choose Ubuntu 20.04 LTS
operating system.
Open the 22, 80, and 443 Port on Firewall From
your network.
there I’m using a putty SSH
client to Connect my server.
Now you’ll need to
connect to your server as a root user.
Update your System with the following command:
Run this script to start the installation and wait for it to finish.
Open your web browser and browse your IP or Domain.
http://Server IP/ Or http://your domain.com/
See lessকিভাবে USB ড্রাইভ Bootable করবো ?
USB ড্রাইভ Bootable যেভাবে:- Create Bootable USB Device (Pendrive) আমরা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফিজিক্যাল মেশিন এবং ভার্চুয়াল মেশিনে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করতে পারি। নিচে সেই পদ্ধতি সমূহ নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ *CD/DVD মিডিয়া কিট *USB Device (Flash/Hard Drive) *Network Boot (PXE) *ISO পদ্ধতিতে উপরের অপারেRead more
USB ড্রাইভ Bootable যেভাবে:-
Create Bootable USB Device (Pendrive)
আমরা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফিজিক্যাল মেশিন এবং ভার্চুয়াল মেশিনে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করতে পারি। নিচে সেই পদ্ধতি সমূহ নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
*CD/DVD মিডিয়া কিট
*USB Device (Flash/Hard Drive)
*Network Boot (PXE)
*ISO পদ্ধতিতে
উপরের অপারেটিং সিস্টেম বুটিং পদ্ধতির মধ্যে নির্ভর যোগ্য পদ্ধতি হচ্ছে USB বুটিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম (Windows/Linux) করা যাবে। USB বুটিং করার জন্য আমাদের দরকার USB ডিভাইস, এক্ষেত্রে পেন ড্রাইভ, হার্ড ড্রাইভ, মেমোরি স্টিক ব্যবহার করতে পারি। আবার আমরা চাইলে USB বুটিং ডিভাইস ব্যবহার করে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল ছাড়াই (Live) ব্যবহার করতে পারি।
USB/Pendrive বুটিং ডিভাইস তৈরি করার জন্য অনলাইনে বিভিন্ন ধরণের টুলস আছে, যেমনঃ Rufus, UNetbootin, Universal USB Installer, এবং মাইক্রোসফটের Windows USB/DVD Download Tool, পাশাপাশি আমরা অপারেটিং সিস্টেম (Linux/Windows) ব্যবহার করেও তৈরি করতে পারি। আমাদের এই ল্যাবে ওপেন সোর্স টুলস হিসেবে ‘Rufus’ ব্যবহার করে বুটেবল ডিভাইস তৈরি করা হবে। ‘Rufus’ ব্যবহার করে উইন্ডোজ এবং লিনাক্স দুই ধরণের অপারেটিং সিস্টেমই বুটেবল করা যাবে। ‘Rufus’ সফটওয়্যারটি সহজে ইন্টারনেট (https://rufus.ie) সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
যেহেতু এখানে পেনড্রাইভ (USB) ব্যবহার অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা হবে, সুতরাং প্রথমে পেনড্রাইভ (USB) বুটেবল করার জন্য মিনিমাম আট (০৮) গিগাবাইট সাইজের একটি পেনড্রাইভ (USB) ফ্রি করে নিতে অর্থাৎ যখন বুটেবল করা হবে তখন পেনড্রাইভ নতুন করে ফরম্যাট হবে। এক্ষেত্রে পূর্বে কোনও ডাটা থাকলে সেটা ডিলিট হয়ে যাবে।
‘Rufus’ সফটওয়্যার ডাউনলোডের পরে রান করলে অনেক গুলো অপসন আসবে। এখানে মেইন সাতটি (০৭) অপশন দেখানো হয়েছে। নিচে অপশন গুলার উপরে আলোচনা করা হয়েছেঃ
*অপশন (1) ‘Device’ যেখান থেকে পেনড্রাইভটা (USB) দেখিয়ে দিতে হবে।
*অপশন (2) ‘Boot Selection’ থেকে অপারেটিং সিস্টেম সিলেক্ট করা যাবে।
*অপশন (3) ‘SELECT’ থেকে ISO ফাইলটা দেখিয়ে দিতে হবে।
*অপশন (4) ‘Partition Scheme’ যেখান থেকে MBR অথবা GPT সিলেক্ট করতে হবে।
*অপশন (5) ‘Volume Label’ যেখান থেকে বুট ডিস্কের (পেনড্রাইভ) নাম দেওয়া যাবে।
*অপশন (6) ‘File System’ হিসেবে ‘NTFS’ এবং ‘FAT32’ ব্যবহার করা যাবে।
*অপশন (7) ‘START’ প্রেস করলে বুটেবল করা শুরু হবে।
পেনড্রাইভ (USB) বুটেবল হওয়ার পরে সিস্টেমে (Desktop/Laptop) কানেক্ট করে সিস্টেম রিবুট দিতে হবে। সিস্টেম (Desktop/Laptop) রিবুট দিলেই অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল শুরু হবে ব্যাপারটা এমন না। সিস্টেমের ফার্মওয়্যারের (BIOS/UEFI) সেটিংসের উপর নির্ভর করবে কোন ডিভাইস থেকে বুট শুরু হবে। সিস্টেমে বিভিন্ন ধরণের বুট ডিভাইসের (DVD/USB/HDD/Network) অপশন থাকে এবং সিস্টেম যখন চালু করা হয় তখন, এক এক করে প্রতিটি বুট ডিভাইস চেক করে, যে ডিভাইসটি প্রথম বুটেবল হিসেবে ডিটেক্ট করে সেটা থেকেই বুটিং শুরু করে। সিস্টেমে যদি কোনও বুটেবল ডিভাইস না থাকে সে ক্ষেত্রে সরাসরি হার্ডডিস্ক থেকে পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম লোড শুরু হবে। আর সিস্টেম যদি একেবারে নতুন হয়, অর্থাৎ আগে কোনও অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল না থাকে, তাহলে ‘Operating System Not Found’ দেখাবে।
যেহেতু নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল দেওয়া হবে, সুতরাং সিস্টেমের ফার্মওয়্যারে (BIOS/UEFI) থেকে ডিফল্ট বুট ডিভাইস হিসেবে আমাদের বুটেবল পেনড্রাইভ দেখায়ে দিতে হবে। সিস্টেমের (Desktop/Laptop) ফার্মওয়্যারে (BIOS/UEFI) প্রবেশের জন্য, সিস্টেম চালু (ON) হওয়ার সাথে সাথে কীবোর্ড থেকে (Esc/F1/F2/F10/F12) প্রেস করতে থাকতে হবে।
সিস্টেমের ফার্মওয়্যারে (BIOS/UEFI) প্রবেশ করলে নিচের মত স্ক্রিন দেখা যাবে। যদি BIOS ফার্মওয়্যার হয় তাহলে প্রথম স্ক্রিনসুটের মত আসবে আর যদি UEFI ফার্মওয়্যার হয় তাহলে দ্বিতীয় স্ক্রিনসুটের মত দেখা যাবে। তবে, ফার্মওয়্যারে (BIOS/UEFI) প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং সিস্টেম বোর্ডের (ব্রান্ডের) উপরে ভিত্তি করে ফার্মওয়্যার (BIOS/UEFI) ইন্টারফেস দেখতে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। UEFI ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে কী বোর্ডের পাশাপাশি মাউচ দিয়ে সব কনফিগারেশন পরিবর্তন করা যায়।
এখানে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, হার্ডওয়্যার ভেন্ডরের (Manufacturer) উপর ভিত্তি করে বুট মেনু এবং অপশন আলাদা হতে পারে, কিন্ত বেসিক ফিচার এবং সেটিংস সবক্ষেত্রে একই হয়ে থাকে। সিস্টেমের ফার্মওয়্যারে (BIOS/UEFI) প্রবেশের পর নিচের অপশন থেকে ‘LEGACY (BIOS)’ বুট অথবা ‘UEFI’ বুট সিলেক্ট করতে হবে। সিস্টেমের ফার্মওয়্যার যদি BIOS (Legacy) হয় তাহলে, শুধু MBR (Master Boot Record) পদ্ধতিতে পার্টিশন করা যাবে, আর সিস্টেমের ফার্মওয়্যার যদি UEFI হয়, তাহলে MBR এর পাশাপাশি GPT (Guided Partition Table) উভয় পদ্ধতিতে পার্টিশন করা যাবে। সেই সাথে এটাও খেয়াল রাখতে হবে যে, ‘Rufus’ সফটওয়্যার দিয়ে বুটেবল করার সময় ‘Partition Scheme’ –এর MBR/GPT (অপশন 4) সাথে মিল রেখে বুটিং পদ্ধতি (Legacy/UEFI) সিলেক্ট করতে হবে।
অর্থাৎ ‘Rufus’ সফটওয়্যারে ‘Partition Scheme’ যদি MBR করা হয় তাহলে, LEGACY (BIOS)’ বা ‘UEFI’ বুট দুইটাই করা যাবে, আর ‘Partition Scheme’ যদি GPT (অপশন 3) পদ্ধতিতে করা হয়, তাহলে শুধু ‘UEFI’ বুট করে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা যাবে।
নোটঃ উল্লেখ্য যে, ‘LEGACY (BIOS)’ বুট দিয়ে পার্টিশন করলে সর্বোচ্চ ০৪ টা প্রাইমারী পার্টিশন হবে। অপরদিকে ‘UEFI’ বুট দিয়ে করলে ১২৮ টা প্রাইমারী পার্টিশন করা যাবে।
See lessঅপারেটিং সিস্টেম (OS) কি?
ইংরেজি Operate শব্দটির আভিধানিক অর্থ হল পরিচালনা করা। অপর দিকে System এর আভিধানিক অর্থ হল পদ্ধতি। অর্থাৎ অপারেটিং সিস্টেম বলতে কোন বস্তুকে পরিচালনার পদ্ধতিকে বুঝিয়ে থাকে। আমেরিকান ন্যাশনাল স্টান্ডার্ড ইনস্টিটিউটের (ANSI) মতে অপারেটিং সিস্টেমের সংজ্ঞা হলঃ যে সফটওয়্যার কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশনRead more
ইংরেজি Operate শব্দটির আভিধানিক অর্থ হল পরিচালনা করা। অপর দিকে System এর আভিধানিক অর্থ হল পদ্ধতি। অর্থাৎ অপারেটিং সিস্টেম বলতে কোন বস্তুকে পরিচালনার পদ্ধতিকে বুঝিয়ে থাকে।
আমেরিকান ন্যাশনাল স্টান্ডার্ড ইনস্টিটিউটের (ANSI) মতে অপারেটিং সিস্টেমের সংজ্ঞা হলঃ
যে সফটওয়্যার কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং সিডিউলিং, ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ, একাউন্টিং, কম্পাইলেশন, তথ্যাবলি সংরক্ষণ, কার্যক্রম, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং আনুষঙ্গিক কাজ সমূহ করে থাকে তাকে অপারেটিং সিস্টেম বা OS বলে।
১৯৫১ সালে USA এর জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিন্টেম আবিস্কৃত হয়। এটি তখন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত। ১৯৭১ সালে অপারেটিং সিস্টেম পিসি তে ব্যবহার করা শুরু হয়। বর্তমানের অপারেটিং সিস্টেম গুলো আগের চাইতে উন্নত, সহজ এবং দ্রুততর হয়েছে।
অপারেটিং সিস্টেম এর প্রকারভেদ
বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম হলঃ
* Windows
* Android
* Linux
* MAC OS
* OS/2
* Solaris
* XENIX
অপারেটিং সিস্টেমের শ্রেণিভেদ দেয়া হল-
১.ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Batch Processing Operating System)
২. মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming Operating System)
৩. মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprocessing Operating System)
৪.রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম (Real Time Operating System)
৫. টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম (Time Sharing Operating System)
৬. ভারচুয়াল স্টোরেজ অপারেটিং সিস্টেম ( virtual operating system)
অপারেটিং সিস্টেমের কার্যাবলী (Functions of Operating System)
অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো উল্লেখ করা হল-
See less১. অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারকে সক্রিয় (Active) ও ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।
২. বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যারের সাথে ডিভাইসসমূহের সংযোগ সাধন করে এবং সফটওয়্যারসমূহের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে।
৩. ইনপুট (Input) ও আউটপুট (Output) ডিভাইসসমূহ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
৪. সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান ও পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন প্রোগ্রাম লোড (Load) করে থাকে।
৫. ফোল্ডার (Folder) তৈরি এবং ফোল্ডার সংক্রান্ত কাজে সুবিধা প্রদান করে থাকে।
৬. ডিস্কের ত্রুটি খুঁজে বের করে এবং তা ব্যবহারকারীকে তথ্য প্রদান করে থাকে।
৮. ডিস্কের ত্রুটি নিয়ন্ত্রণের পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করে থকে।
৯. হার্ডওয়্যার (Hardware) এর ত্রুটি অনুসন্ধান করে এবং সেই সংবাদ মনিটর (Monitor) এর পর্দায় প্রদান করে থাকে।
১০. গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নির্ধারিত পাসওয়ার্ড (Password) ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে থাকে।
১১. ব্যবহারকারীর নির্দেশ গ্রহণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাচ প্রসেসিং করে থাকে।
১২. কোন প্রোগ্রামে ত্রুটি (Error) থাকলে তা নির্ণয় করে থাকে।
১৩. অপারেটিং সিস্টেম নেটওয়ার্ক (Network) এ সাহায্য করে থাকে।
১৪. বিভিন্ন ডিস্ক হতে তথ্য মুছে ফেলা এবং এক ডিস্ক হতে তথ্য অন্য ডিস্কে স্থানান্তর করে থাকে।
এককথায় বলা যায় হার্ডওয়্যারকে (Hardware) কাজের উপযোগী করে তোলে সফটওয়্যার।
How to create a free web server with CPanel?
How to create your own hosting server for free. I will show you How to create your own hosting server for free. You can easily create your old laptop or desktop on a Linux web hosting server. This hosting web server creation is easy. Just follow a few simple three steps. Step 1:Read more
How to create your own hosting server for free.
I will show you How to create your own hosting server for free.
You can easily create your old laptop or desktop on a Linux web hosting server.
This hosting web server creation is easy.
Just follow a few simple three steps.
Step 1: Make sure that your server is running a supported operating system amd64 or arm64.
Ubuntu 18.04 LTS,
Ubuntu 20.04 LTS,
Debian 9,
Debian 10 and Debian 11.
Step 2: Log in as the system root user.
You’ll need to connect to your server as a root user,
either directly from the console or remotely using SSH.
Step 3: Download & install Panel.
In this Step, you now Download the installation script.
typing flowing command and Run the installer script.
There I am using the Azure portal to show you how to install the virtual operating system.
You can use physical machines if you want.
I choose Ubuntu 20.04 LTS operating system.
Open the 22, 80, 443 and 8083 Port On Firewall From your network.
Here is the step-by-step process.
Now You’ll need to connect to your server as a root user,
either directly from the console or remotely using SSH.
open this link for a full description.
The address is shared in the description box.
Run the download script
Run the installer and follow the prompts.
Run this script to start the installation and wait for it to finish.
It will take 10 to 15 minutes to complete the installation.
Now installation is finished.
You will find the login information of the control panel at the top here.
Here you can open port 8083 from your firewall.
browse your IP with port 8083.
Log in to your web server control panel.
This is your web server control panel. You can create a hosting client user .
I’m adding A record in my domain DNS record that points to subdomain to my webserver.
If you liked this video, then please subscribe to this YouTube Channel and If you face any problems,
please comment to me.
See lessওয়ার্ডপ্রেস আমরা কেন ব্যবহার করবো ?
খুব সহজে কোডিং ব্যবহার না করে এবং এইচটিএমএল, সিএসএস, পিএইচপি, MySql না জানলেও আপনি খুব সহজে কম সময়ে, ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যেকোনো ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন । আপনার নিজের ব্যবসা অথবা প্রতিষ্ঠান এর জন্য আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট নিজেই তৈরি করতে পারবেন । এবং আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইনের দক্ষতা অর্জন কRead more
খুব সহজে কোডিং ব্যবহার না করে এবং এইচটিএমএল, সিএসএস, পিএইচপি, MySql না জানলেও আপনি খুব সহজে কম সময়ে, ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যেকোনো ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন । আপনার নিজের ব্যবসা অথবা প্রতিষ্ঠান এর জন্য আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট নিজেই তৈরি করতে পারবেন । এবং আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইনের দক্ষতা অর্জন করতে পারলে মার্কেটপ্লেস এবং লোকাল কাজ খুব সহজেই করতে পারবেন ।
See lessট্রি বা হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার কী?
যখন কোন ওয়েবসাইটের কাঠামোতে সমস্ত ডকুমেন্টের পূর্নাঙ্গ চিত্র সংক্ষিপ্ত আকারে থাকে সেই স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার বলে।
যখন কোন ওয়েবসাইটের কাঠামোতে সমস্ত ডকুমেন্টের পূর্নাঙ্গ চিত্র সংক্ষিপ্ত আকারে থাকে সেই স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার বলে।
See lessওয়েব সার্ভার কী?
ওয়েব সার্ভার হলো বিশেষ ধরণের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে বুঝায় যার সাহায্যে ঐ সার্ভারে রক্ষিত কোন উপাত্ত বা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাকসেস করা যায়।
ওয়েব সার্ভার হলো বিশেষ ধরণের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে বুঝায় যার সাহায্যে ঐ সার্ভারে রক্ষিত কোন উপাত্ত বা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাকসেস করা যায়।
See lessMySQL কি?
MySQL হলো ওপেন সোর্স রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (RDBMS – Relational Database Management System)। যা Structured Query Language (SQL) ব্যবহার করে। এই My শব্দটি এসেছে এর co-founder এর মেয়ের নাম অনুসারে আর অপর শব্দটি হলো SQL যার মানে হলো Structured Query Language.। তাহলে সম্পূর্ণ শব্দটি দাড়Read more
MySQL হলো ওপেন সোর্স রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (RDBMS – Relational Database Management System)। যা Structured Query Language (SQL) ব্যবহার করে। এই My শব্দটি এসেছে এর co-founder এর মেয়ের নাম অনুসারে আর অপর শব্দটি হলো SQL যার মানে হলো Structured Query Language.। তাহলে সম্পূর্ণ শব্দটি দাড়ায় MySQL।
বর্তমান বিভিন্ন ওপেন সোর্স PHP application এই MySQL ব্যবহার করছে যেমন- WORDPRESS, JOOMLA, MAGENTO, Drupal ইত্যাদি।
এই MySQL প্রায় সব প্লাটফর্মই run হয় যেমন- Linux, UNIX and Windows। এটি আমরা বেশিরভাগ সময় web applications এর জন্য ব্যবহার করে থাকি। মানে web applications এর জন্য আমরা যে সকল ডাটা ব্যবহার করি তা যাতে একটা ডাটাবেজ সংরক্ষিত থাকে এবং পরবর্তীতে এই ডাটা আমরা ব্যবহার করতে পারি। যেমন- Facebook, Twitter and YouTube এ সকল Social Media গুলো MySQL ব্যবহার করে থাকে তাদের ডাটাগুলো ডাটাবেজে সংরক্ষন করার জন্য।
MySQL এর features সমূহ
১। MySQL এর মাধ্যমে আমরা আমাদের web applications বা অন্য কোন applications এর ডাটা যেমন সংরক্ষণ করতে পারি ঠিক তেমনি আমরা এই ডাটাও ডাটাবেজ থেকে আনতে পারি। আর এই ডাটাগুলো অনেকগুলো storage engines এ রাখা যায় যেমন- InnoDB, CSV, and NDB ইত্যাদি।
২। MySQL মূলত লিখা হয়েছে C and C++ দিয়ে এবং এই MySQL ডাটাবেজ আপনি বিভিন্ন প্লাটফর্মে এ ব্যবহার করতে পারবেন যেমন-Mac, Windows, Linux and Unix ইত্যাদি।
৩। MySQL ডাটাবেজ ব্যবহার করে আপনি লক্ষ লক্ষ ডাটা সংরক্ষণ করে পারবেন।
৪। MySQL বিভিন্ন রকমরে ডাটা টাইপ সাপোর্ট করে যেমন- signed or unsigned integers, Float, Double, Char, Varchar, Binary, Text, Blob, Date, Time, Datetime, Timestamp, Year, Set, Enum, Fixed and variable-length string types ইত্যাদি।
৫। MySQL সম্পূর্ণ ফ্রি। আপনি এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
See lessমিডিয়া কনভার্টার (MC) কি?
মিডিয়া কনভার্টার Point-to-Point connection এর জন্য বেবহার করা হয় OLT এবং ONU point to multipoint connections জন্য বেবহার করা হয়। ছোট যে ইলেকট্রিক বক্স টি দেখা যাচ্ছে এটির শর্ট ফর্ম MC, অর্থাৎ মিডিয়া কনভার্টার। অপটিক্যাল ফাইবার কানেকশন গুলোতে কিছু ক্ষেত্রে আমরা এ ধরনের MC ব্যবহার করে থাকি। এই ডিভাইRead more
মিডিয়া কনভার্টার Point-to-Point connection এর জন্য বেবহার করা হয় OLT এবং ONU point to multipoint connections জন্য বেবহার করা হয়।
ছোট যে ইলেকট্রিক বক্স টি দেখা যাচ্ছে এটির শর্ট ফর্ম MC, অর্থাৎ মিডিয়া কনভার্টার। অপটিক্যাল ফাইবার কানেকশন গুলোতে কিছু ক্ষেত্রে আমরা এ ধরনের MC ব্যবহার করে থাকি। এই ডিভাইসটির মাধ্যমে কিভাবে বুঝবেন আপনার ইন্টারনেট সংযোগটিতে কি ধরনের সমস্যা হচ্ছে।
যখন দেখবেন MC তে; ছয়টি ইন্ডিকেটর লাইটের মধ্যে চারটি ইন্ডিকেটর জ্বলছে এবং দুটি বন্ধ আছে। সে ক্ষেত্রে বুঝতে হবে আপনার অপটিকাল ফাইবার তার কোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সাপোর্ট নাম্বারে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করবেন।
কিছু সময় দেখা যাবে, 6 টি ইন্ডিকেটর লাইট জ্বলছে তার পরেও আপনি ইন্টারনেট সংযোগ পাচ্ছেন না।
সে ক্ষেত্রে আপনাকে সরাসরি কম্পিউটারে কানেক্ট করে ডায়াল আপ করতে হবে ( ডায়াল আপ কিভাবে করবেন সংক্রান্ত একটি লেখা আগে দেওয়া হয়েছে ) ডায়াল আপ করার পরে যদি কানেকশনটি না আসে, সে ক্ষেত্রে একটি Error মেসেজ দেখাবে মেসেজটি আমাদের সাপোর্ট নাম্বারে ফোন করে জানাবেন।
কখনো আবার ছয়টি ইন্ডিকেটর এর মধ্যে দেখবেন তিনটি ইন্ডিকেটর জ্বলছে এবং তিনটি বন্ধ আছে। এ বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত করা যায়, আপনার ওয়াইফাই রাউটার টির সঙ্গে MC যে ক্যাট সিক্স এর মাধ্যমে কানেক্ট করা হয়েছে সেটি লুজ হয়ে আছে অথবা কেবল টি নষ্ট হতে পারে, এ ধরনের সমস্যা নিজে থেকেই সমাধান করা সম্ভব।

See lessHow to Add my WordPress Site to bing Search Console?
In this video, I will show you How to Add Your WordPress Site in Bing Webmaster Tools in the next 5 minutes. Here is the step-by-step process. [embedyt] https://www.youtube.com/watch?v=8mp9198B3HA[/embedyt] Open your browser and search Bing Webmaster Tools. Or browse this link www.bing.com/toolbox/wRead more
In this video, I will show you How to Add Your WordPress Site in Bing Webmaster Tools in the next 5 minutes. Here is the step-by-step process.
Open your browser and search Bing Webmaster Tools.
Or browse this link http://www.bing.com/toolbox/webmaste
See less